Top News

করুণা হয়—সত্যিই করুণা হয়!

 করুণা হয়—সত্যিই করুণা হয়!






 

একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ, ডায়ালাইসিস ও ক্যাথল্যাবের মতো জীবনরক্ষাকারী সেবা চালু আছে কি না—এটাও যদি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জরুরি চিঠি দিয়ে জানতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—এতদিন যারা এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা, তদারকি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা আসলে কী করছিলেন?

আরও বিস্ময়ের বিষয়—বিপুল অর্থ ব্যয়ে কেনা চিকিৎসাযন্ত্র যদি বাক্সবন্দি পড়ে থাকে, অথচ মানুষ চিকিৎসার জন্য ছুটে বেড়ায়, তাহলে এটি শুধু অব্যবস্থাপনা নয়; এটি জনগণের অর্থ, রোগীর অধিকার এবং চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি চরম অবহেলার প্রতিচ্ছবি।

শিক্ষিত মানুষ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা—সবাই যখন দায়িত্বের চেয়ারে বসেন, তখন সেই চেয়ার শুধু পদমর্যাদার জন্য নয়; সেখানে বসার সঙ্গে মানুষের জীবন-মৃত্যুর দায়ও জড়িয়ে থাকে।

যে হাসপাতালে একটি সচল আইসিইউ একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে, একটি ডায়ালাইসিস মেশিন একজন কিডনি রোগীর বেঁচে থাকার অবলম্বন হতে পারে, একটি ক্যাথল্যাব একজন হৃদরোগীর জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে—সেসব সেবা কেন বন্ধ থাকবে, আর কেন সেগুলো চালু আছে কি না জানতে আবার জরুরি চিঠি দিতে হবে?

এ প্রশ্নের জবাব জনগণ চাইবে।

জবাবদিহি চাইবে।

দায়িত্বশীলতা চাইবে।

কারণ হাসপাতাল কোনো সাধারণ দপ্তর নয়—এখানে মানুষের জীবন নিয়ে কাজ হয়।

আর যারা দায়িত্ব পেয়েও দায়িত্বের মর্যাদা রক্ষা করতে ব্যর্থ হন, তাদের জন্য শেষ বিচারের মালিক আল্লাহই সর্বোত্তম ফয়সালাকারী।

আল্লাহ যেন জনগণের হক নষ্টকারীদের বিচার করেন এবং অসহায় রোগীদের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সত্যিকার অর্থে মানবিক ও কার্যকর করে দেন।

#টাঙ্গাইল #সিরাজগঞ্জ #মেডিকেলকলেজ #স্বাস্থ্যব্যবস্থা #জবাবদিহিতা #জনগণেরঅধিকার #স্বাস্থ্যখাত #GiasBlog101  #GiasBlogs101 #GiasThoughts

Post a Comment

Previous Post Next Post