কুরআনে সালাত এর কথা প্রায় আটত্রিশটি সুরার মাধ্যমে ৮৩ বার উল্লেখ রয়েছে।
#কুরআনে সালাত এর কথা প্রায় আটত্রিশটি সুরার মাধ্যমে ৮৩ বার উল্লেখ রয়েছে।
আসুন দেখি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে কুরআনের এই আয়াত গুলো নিয়ে আমরা একটু চিন্তা ভাবনা করে দেখি কুরআনের সালাত আসলে কি নামাজ?যেহেতু আল্লাহ নিজে কুরআন নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে বলেছে আর যারা করে না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ বলা হয়েছে।(সুরা মুহাম্মদ ২৪)
কুরআনের ২নং সুরা বাকারায় মধ্যে আমরা দশ বার সালাতের কথা দেখতে পায়।
১-১০, ২নং সুরা বাকারা-আয়াত নং ৩, ৪৩, ৪৫, ৮৩, ১১০, ১২৫, ১৫৩, ১৭৭, ২৩৮, ২৩৯।
নিশ্চয়ই! আপনি যে আয়াতগুলো উল্লেখ করেছেন — *সুরা আল-বাকারাহ (Surah Al-Baqarah, 2:3, 43, 45, 83, 110, 125, 153, 177, 238, 239)* — এগুলি মূলত নামাজ, ধার্মিকতা ও আল্লাহর আদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমি সংক্ষেপে আয়াতের অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারি (সূত্র: তাফসির ও সাধারণ অনুবাদ)।
---
*Surah Al-Baqarah – Selected Ayahs on Prayer & Guidance*
1. *2:3* যারা গায়েবের(১) প্রতি ঈমান আনে (২), সালাত কায়েম করে(৩) এবং তাদেরকে আমরা যা দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে।(৪)
2. *2:43* আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত দাও এবং রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ কর।(১)
3. *2:45* – আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর(১)। আর নিশ্চয় তা বিনয়ীরা ছাড়া(২) অন্যদের উপর কঠিন।
4. *2:83* – আর স্মরণ কর, যখন আমরা ইসরাঈল-সন্তানদের নিয়েছিলাম যে, তোমরা আল্লাহ ছাড় আর কারো ইবাদত করবে না, মাতা-পিতা(১), আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম ও দরিদ্রের(২) সাথে সদয় ব্যবহার করবে এবং মানুষের সাথে সদালাপ করবে(৩)। আর সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দিবে, তারপর তোমাদের মধ্য হতে কিছুসংখ্যক লোক ছাড়া(৪) তোমরা সকলেই অবজ্ঞা করে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে।
5. *2:110* – আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত দাও এবং তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু নিজেদের জন্য পেশ করবে আল্লাহর কাছে তা পাবে। নিশ্চয় তোমরা যা করছ আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।
6. *2:125* – আর স্মরণ করুন(১), যখন আমরা কাবাঘরকে মানবজাতির মিলনকেন্দ্র(২) ও নিরাপত্তাস্থল(৩) করেছিলাম এবং বলেছিলাম, তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ করো(৪)। আর ইবরাহীম ও ইসমাঈলকে আদেশ দিয়েছিলাম তাওয়াফকারী, ই’তিকাফকারী, রুকু’ ও সিজদাকারীদের জন্য (৫) আমার ঘরকে পবিত্র রাখতে।(৬)
7. *2:153* – হে ঈমানদারগণ! তোমরা সাহায্য চাও সবর(১) ও সালাতের মাধ্যমে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সবরকারীদের সাথে আছেন।(২)
8. *2:177* – পূর্ব ও পশ্চিম দিকে(১) তোমাদের মুখ ফিরানোই সৎকর্ম নয়, কিন্তু সৎকর্ম হলো যে ব্যক্তি আল্লাহ্, শেষ দিবস, ফেরেশতাগণ, কিতসমূহ ও নবীগণের প্রতি ঈমান(২) আনবে আর সম্পদ দান করবে তাঁর(৩) ভালবাসায়(৪) আত্মীয়-স্বজন(৫), ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, মুসাফির, সাহায্যপ্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত দিবে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পূর্ণ করবে(৬) অর্থ-সংকটে, দুঃখ-কষ্টে ও সংগ্রাম-সংকটে ধৈর্য ধারণ করবে(৭)। তারাই সত্যাশ্রয়ী এবং তারাই মুত্তাকী।
9. *2:238* – তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে(১), বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের(২) এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা দাঁড়াবে বিনীতভাবে।
10. *2:239* – অতঃপর যদি তোমরা বিপদাশংকা কর, তবে পদচারী অথবা আরোহী অবস্থায় সালাত আদায় করবে(১)। অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ বোধ কর তখন আল্লাহ্কে স্মরণ করবে, যেভাবে তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন, যা তোমরা জানতে না।
১১-১২, ৩ নং আল ইমরান দুইবার -আয়াত নং ৩৯, ৪৩
1. *3:39* –অতঃপর যখন যাকারিয়্যা ইবাদত কক্ষে সালাতে দাঁড়িয়েছিলেন তখন ফেরেশতারা তাকে আহবান করে বলল, নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে ইয়াহইয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন, সে হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আগমনকৃত এক কালেমাকে সত্যায়নকারী(১), নেতা(২), ভোগ আসক্তিমুক্ত(৩) এবং পূণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী।
2. *3:43* হে মারইয়াম! আপনার রবের অনুগত হন এবং সিজদা করুন আর রুককারীদের সাথে ‘রুকূ’ করুন।
১৩-১৯ ৪ নম্বর সুরা নেসায় সাত বার-আয়াত নং ৪৩, ৭৭, ১০১, ১০২, ১০৩, ১৪২, ১৬২ ।
1. *4:43* হে মুমিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায়(১) তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হয়ে না, যতক্ষন পর্যন্ত না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার(২) এবং যদি তোমরা মুসাফির না হও তবে অপবিত্র অবস্থাতেও নয়, যতক্ষন পর্যন্ত না তোমরা গোসল কর(৩)। আর যদি তোমরা পীড়িত হও অথবা সফরে থাক বা তোমাদের কেউ শৌচস্থান থেকে আসে অথবা তোমরা নারী সম্ভোগ কর এবং পানি না পাও তবে পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম কর(৪) সুতরাং মাসেহ কর তোমরা তোমাদের চেহারা ও হাত, নিশ্চয় আল্লাহ পাপ মোচনকারী, ক্ষমাশীল।
2. *4:77* আপনি কি তাদেরকে দেখেননি যাদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা তোমাদের হস্ত সংবরণ কর, সালাত কায়েম কর(১) এবং যাকাত দাও(২)? অতঃপর যখন তাদেরকে যুদ্ধের বিধান দেয়া হল তখন তাদের একদল মানুষকে ভয় করছিল আল্লাহকে ভয় করার মত অথবা তারচেয়েও বেশী এবং বলল, “হে আমাদের রব! আমাদের জন্য যুদ্ধের বিধান কেন দিলেন? আমাদেরকে কিছু দিনের অবকাশ কেন দিলেন না(৩)?” বলুন, ‘পার্থিব ভোগ সামান্য(৪) এবং যে তাকওয়া অবলম্বন করে তার জন্য আখেরাতই উত্তম(৫)। আর তোমাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও যুলুম করা হবে না।
3. *4:101* . তোমরা যখন দেশ-বিদেশে সফর করবে তখন যদি তোমাদের আশংকা হয় যে, কাফেররা তোমাদের জন্য ফিতনা সৃষ্টি করবে, তবে সালাত ‘কসর’(১) করলে তোমাদের কোন দোষ নেই। নিশ্চয়ই কাফেররা তোমাদের প্রকাশ্য শক্র।
4. *4:102* . আর আপনি যখন তাদের মধ্যে অবস্থান করবেন তারপর তাদের সাথে সালাত কায়েম করবেন(১) তখন তাদের একদল আপনার সাথে যেন দাঁড়ায় এবং তারা যেন সশস্ত্র থাকে। তাদের সিজদা করা হলে তারা যেন তোমাদের পিছনে অবস্থান করে; আর অপর একদল যারা সালাতে শরীক হয়নি তারা আপনার সাথে যেন সালাতে শরীক হয় এবং তারা যেন সতর্ক ও সশস্ত্র থাকে(২) কাফেররা কামনা করে যেন তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও আসবাবপত্র সম্বন্ধে অসতর্ক হও যাতে তারা তোমাদের উপর একেবারে ঝাপিয়ে পড়তে পারে। যদি তোমরা বৃষ্টির জন্য কষ্ট পাও বা পীড়িত থাক তবে তোমরা অস্ত্র রেখে দিলে তোমাদের কোন দোষ নেই; কিন্তু তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করবে। আল্লাহ কাফেরদের জন্য লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
5. *4:103* অতঃপর যখন তোমরা সালাত সমাপ্ত করবে তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে(১), অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন যথাযথ সালাত কায়েম করবে(২); নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য(৩)।
6. *4:142* - নিশচয় মনাফিকরা আল্লাহর সাথে ধোঁকাবাজি করে বস্তুতঃ তিনি তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেন(১)। আর যখন তারা সালাতে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সাথে দাঁড়ায়, শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্য এবং আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে।(২)
7. *4:162* - কিন্তু তাদের মধ্যে যারা জ্ঞানে মজবুত তারা ও মুমিনগণ আপনার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং আপনার আগে যা নাযিল করা হয়েছে তাতে ঈমান আনে। আর সালাত প্রতিষ্ঠাকারী, যাকাত প্রদানকারী এবং আল্লাহ ও শেষ দিবসে ঈমান আনয়নকারী, তাদেরকে অচিরেই আমরা মহা পুরস্কার দেব।(১)
২০-২৫, পাঁচ নম্বর সুরা মায়দায় ছয় বার - আয়াত নং
৬, ১২, ৫৫, ৫৮, ৯১, ১০৬।
1. 5:6* - হে মুমিনগণ! যখন তোমরা সালাতের জন্য দাঁড়াতে চাও তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাতগুলো কনুই পর্যন্ত ধুয়ে নাও এবং তোমাদের মাথায় মাসেহ কর(১) এবং পায়ের টাখনু পর্যন্ত ধুয়ে নাও(২) এবং যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তবে বিশেষভাবে পবিত্র হবে। আর যদি তোমরা অসুস্থ হও বা সফরে থাক বা তোমাদের কেউ পায়খানা থেকে আসে, বা তোমরা স্ত্রীর সাথে সংগত হও(৩) এবং পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে। সুতরাং তা দ্বারা মুখমণ্ডলে ও হাতে মাসেহ করবে। আল্লাহ তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা করতে চান না; বরং তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করতে চান এবং তোমাদের প্রতি তার নেয়ামত সম্পূর্ণ করতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর।
2. 5:12* - আর অবশ্যই আল্লাহ বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা তাদের মধ্য থেকে বারজন দলনেতা পাঠিয়েছিলাম। আর আল্লাহ বলেছিলেন, নিশ্চয় আমি তোমাদের সংগে আছি; তোমরা যদি সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও, আমার রাসূলগণের প্রতি ঈমান আন, তাদেরকে সম্মান-সহযোগিতা কর এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ প্রদান কর, তবে আমি তোমাদের পাপ অবশ্যই মোচন করব এবং অবশ্যই তোমাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতসমূহে, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। এর পরও কেউ কুফরী করলে সে অবশ্যই সরল পথ হারাবে।
3. 5:55* - তোমাদের বন্ধু(১) তো কেবল আল্লাহ, তার রাসূল(২) ও মুমিনগণ- যারা সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং তারা বিনীত।(৩)
4. 5:58* - আর যখন তোমরা সালাতের প্রতি আহ্বান কর তখন তারা সেটাকে হাসি-তামাশা ও খেলার বস্তুরূপে গ্রহণ করে- এটা এ জন্যে যে, তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা বোঝে না।
5. 5:91* - শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও নামাযে বাধা দিতে চায়![1] অতএব তোমরা কি নিবৃত্ত হবে না?
6. 5:106* - হে মুমিনগণ! তোমাদের কারো যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে দুজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে; অথবা(১) অন্যদের (অমুসলিমদের) থেকে দু’জন সাক্ষী মনোনীত করবে, যদি তোমরা সফরে থাক এবং তোমাদেরকে মৃত্যুর বিপদ পেয়ে বসে। যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে সালাতের পর অপেক্ষমান রাখবে। তারপর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে, আমরা তার বিনিময়ে কোন মূল্য গ্রহণ করব না যদি সে আত্মীয়ও হয় এবং আমরা আল্লাহর সাক্ষ্য গোপন করব না, করলে অবশ্যই আমরা পাপীদের অন্তর্ভুক্ত হব।
২৬-২৮, ছয় নম্বর সুরা আনামের তিনবার। আয়াত নং ৭২, ৯২, ১৬২।
1. 6:72* - এবং সালাত কায়েম করতে ও তার তাকওয়া অবলম্বন করতে। আর তিনিই, যাঁর কাছে তোমাদেরকে সমবেত করা হবে।
2. 6:92* . আর এটি বরকতময় কিতাব, যা আমরা নাযিল করেছি, যা তার আগের সব কিতাবের সত্যায়নকারী এবং যা দ্বারা আপনি মক্কা ও তার চারপাশের মানুষদেরকে সতর্ক করেন(১)। আর যারা আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, তারা এটাতেও ঈমান রাখে(২) এবং তারা তাদের সালাতের হিফাযত করে।
3. 6:162* . বলুন, আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহরই জন্য।(১)
২৯-৩২, সাত নম্বর সুরা আশরাফের চারবার। আয়াত নং ২৯, ৩১, ১৭০, ২০৬।
1. 7:29* বলুন, আমার রব নির্দেশ দিয়েছেন ন্যায়বিচারের।(১) আর তোমরা প্রত্যেক সাজদাহ বা ইবাদতে তোমাদের লক্ষ্য একমাত্র আল্লাহকেই নির্ধারণ কর(২) এবং তারই আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাকে ডাক।(৩) তিনি যেভাবে তোমাদেরকে প্রথমে সৃষ্টি করেছেন তোমরা সেভাবে ফিরে আসবে।(৪)
2. 7:31* হে বনী আদম! প্রত্যেক সালাতের সময় তোমরা সুন্দর পোশাক গ্রহন কর।(১) আর খাও এবং পান কর কিন্তু অপচয় কর না।(২) নিশ্চয় তিনি অপচয়কারীদেরকে পছন্দ করেন না।
3. 7:170* যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারন করে ও সালাত কায়েম করে, আমরা তো সৎকর্মপরায়ণদের শ্রমফল নষ্ট করি না।(১)
4. 7:206* নিশ্চয় যারা আপনার রবের সন্নিধ্যে রয়েছে তারা তাঁর ইবাদাতের ব্যাপারে অহঙ্কার(১) করে না। আর তারা তাঁরই তাসবীহ পাঠ করে(২) এবং তারই জন্য সিজদা(৩) করে। [সাজদাহ]
৩৩, আট নম্বর সুরা আনফালের একবার। আয়াত নং ৩
8:3* যারা সালাত কায়েম করে(১) এবং আমরা তাদেরকে যা রিযক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে;(২)
৩৪ -৩৭, নয় নম্বর সুরা তওবার চারবার। আয়াত নং৫, ১১, ১৮, ৭১।
9:5* অতঃপর নিষিদ্ধ মাস(১) অতিবাহিত হলে মুশরিকদেরকে যেখানে পাবে হত্যা কর(২), তাদেরকে পাকড়াও কর(৩), অবরোধ কর এবং প্রত্যেক ঘাটিতে তাদের জন্য ওঁৎ পেতে থাক; কিন্তু যদি তারা তাওবাহ করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়(৪) তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও(৫); নিশ্চয় আল্লাহ্ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(৬)
9:11* অতএব তারা যদি তাওবাহ করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তবে দ্বীনের মধ্যে তারা তোমাদের ভাই(১); আর আমরা আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করি এমন সম্প্রদায়ের জন্য যারা জানে।(২)
9:18* তারাই তো আল্লাহর মসজিদের আবাদ করবে(১), যারা ঈমান আনে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না। অতএব আশা করা যায়, তারা হবে সৎপথ প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।(২)
9:71* আর মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী একে অপরের বন্ধু(১), তারা সৎকাজের নির্দেশ দেয় ও অসৎকাজে নিষেধ করে, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে; তারাই, যাদেরকে আল্লাহ্ অচিরেই দয়া করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
৩৮, এগারো নম্বর সুরা হুদে একবার। আয়াত নং ১১৪।
11:114* আর আপনি সালাত কায়েম করুন(১) দিনের দু প্রান্তভাগে ও রাতের প্রথমাংশে(২)। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎকাজকে মিটিয়ে দেয়(৩)। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এটা(৪) এক উপদেশ।
৩৯, পনের নম্বর সুরা হিজরে একবার। আয়াত নং ৯৮।
15:98* কাজেই আপনি আপনার রবের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন এবং আপনি সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হোন;(১);
৪০-৪২, সতের নম্বর সুরা বনি ইসরাইলে তিনবার।
আয়াত নং ৭৮, ৭৯, ১১০।
17:78* সূর্য হেলে পড়ার পর থেকে রাতের ঘন অন্ধকার পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন(১) এবং ফজরের সালাত।(২) নিশ্চয় ফজরের সালাত উপস্থিতির সময়।(৩)
17:79* আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ(১) আদায় করুন, এটা আপনার জন্য অতিরিক্ত।(২) আশা করা যায় আপনার রব আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। প্ৰশংসিত স্থানে।(৩)
17:110* বলুন, তোমরা আল্লাহ নামে ডাক বা রাহমান নামে ডাক, তোমরা যে নামেই ডাক সকল সুন্দর নামই তো তাঁর। আর আপনি সালাতে স্বর খুব উচ্চ করবেন না আবার খুব ক্ষীণও করবেন না; বরং এ দুয়ের মধ্যপথ অবলম্বন করুন।(১)
৪৩-৪৪, ঊনিশ নম্বর সুরা মরিয়মে দুইবার আয়াত নং ৩১, ৫৫।
19:31* যেখানেই আমি থাকি না কেন তিনি আমাকে বরকতময়(১) করেছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যতদিন জীবিত থাকি ততদিন সালাত ও যাকাত আদায় করতে–(২)
19:55* তিনি তার পরিজনবর্গকে সালাত ও যাকাতের নির্দেশ দিতেন(১) এবং তিনি ছিলেন তার রব-এর সন্তোষভাজন।
৪৫-৪৭, বিশ নম্বর সুরা ত্বাহার তিনবার। আয়াত নং ১৪, ১৩০, ১৩২।
20:14* আমিই আল্লাহ্, আমি ছাড়া অন্য কোন হক্ব ইলাহ নেই। অতএব আমারই ইবাদাত করুন(১) এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম করুন।(২)
20:130* কাজেই তারা যা বলে, সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধারণ করুন(১) এবং সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে আপনার রব-এর সপ্ৰশংস পবিত্ৰতা ও মহিমা ঘোষণা করুন এবং রাতে পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন, এবং দিনের প্রান্তসমূহেও(২), যাতে আপনি সন্তুষ্ট হতে পারেন।(৩)
20:132* আর আপনার পরিবারবর্গকে সালাতের আদেশ দিন ও তাতে অবিচল থাকুন(১), আমরা আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না; আমরাই আপনাকে রিযিক দেই।(২) আর শুভ পরিণাম তো তাকওয়াতেই নিহিত।(৩)
৪৮, একুশ নম্বর সুরা আম্বিয়ায় একবার। আয়াত নং ৭৩ ।
21:73* আর তাদেরকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত। আমি তাদের প্রতি সৎকাজ করার, সালাত কায়েম করার এবং যাকাত প্রদান করার জন্য ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর তারা আমারই ইবাদাত করত।
৪৯-৫৩, বাইশ নম্বর সুরা হজে পাঁচ বার। আয়াত নং
২৬, ৩৫, ৪১, ৭৭, ৭৮।
১। ২২:২৬* আর স্মরণ করুন, যখন আমরা ইবরাহীমের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম(১) ঘরের স্থান(২), তখন বলেছিলাম, আমার সাথে কোন কিছু শরীক করবেন না(৩) এবং আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, সালাতে দণ্ডায়মান, এবং রুকূ’ ও সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখুন।(৪)
২। ২২:৩৫* যাদের হৃদয় ভয়ে কম্পিত হয়(১) আল্লাহর নাম স্মরণ করা হলে, যারা তাদের বিপদে-আপদে ধৈর্য ধারণ করে এবং সালাত কায়েম করে এবং আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।
৩। ২২:৪১* তারা(১) এমন লোক যাদেরকে আমরা যমীনের বুকে প্রতিষ্ঠিত করলে সালাত কায়েম করবে(২), যাকাত দেবে এবং সৎকাজের নির্দেশ দেবে ও অসৎকাজে নিষেধ করবে; আর সব কাজের চুড়ান্ত পরিণতি আল্লাহর ইখতিয়ারে।
৪। ২২:৭৭* হে মুমিনগণ! তোমরা রুকূ’ কর, সিজদা কর এবং তোমাদের রব-এর ইবাদাত কর ও সৎকাজ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।(১) [সাজদাহ]
৫। ২২:৭৮* আর জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত(১) তিনি তোমাদেরকে মনোনীত করেছেন(২)। তিনি দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা রাখেননি(৩)। তোমাদের পিতা(৪) ইবরাহীমের মিল্লাত(৫)। তিনি আগে তোমাদের নামকরণ করেছেন ‘মুসলিম’ এবং এ কিতাবেও(৬); যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হন এবং তোমরা সাক্ষীস্বরূপ হও মানুষের জন্য।(৭) কাজেই তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও(৮) এবং আল্লাহকে মজবুতভাবে অবলম্বন কর(৯); তিনিই তোমাদের অভিভাবক, তিনি কতই না উত্তম অভিভাবক আর কতই না উত্তম সাহায্যকারী!
৫৪-৫৫, তেইশ নম্বর সুরা মুমিনুনে দুইবার। আয়াত নং ২, ৯ ।
১। ২৩: ২* যারা তাদের সালাতে ভীতি-অবনত(১)
২। ২৩:৯* আর যারা নিজেদের সালাতে থাকে যত্নবান(১)
৫৬-৫৮, চব্বিশ নম্বর সুরা আন নূরের তিনবার। আয়াত নং ৩৭, ৫৬, ৫৮।
১। ২৪: ৩৭* সেসব লোক(১), যাদেরকে ব্যবসা-বানিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় কোনটিই আল্লাহর স্মরণ হতে এবং সালাত কায়েম ও যাকাত প্রদান হতে বিরত রাখে না, তারা ভয় করে সে দিনকে যেদিন অনেক অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।
২। ২৪: ৫৬* আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং রাসূলের আনুগত্য কর, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা যায়।
৩। ২৪: ৫৮* হে মুমিনগণ! তোমাদের মালিকানাধীন দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়ঃপ্ৰাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের কক্ষে প্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি গ্রহন করে, ফজরের সালাতের আগে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোষাক খুলে রাখ তখন এবং ‘ইশার সালাতের পর; এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তার সময়। এ তিন সময় ছাড়া (অন্য সময় বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলে) তোমাদের এবং তাদের কোন দোষ নেই।(১) তোমাদের এককে অন্যের কাছে তো যেতেই হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্ৰজ্ঞাময়।
৫৯, ছাব্বিশ নম্বর সুরা শুয়ারার দুইবার। আয়াত নং ২১৭-২১৯নং আয়াতে।
১। ২৬: ২১৭* আর আপনি নির্ভর করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর উপর,
২১৮* যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি দাঁড়ান(১),
২১৯* এবং সিজদাকারীদের মাঝে আপনার উঠাবসা।(১)
৬০, সাতাইশ নম্বর সুরা নমলে একবার। আয়াত নং ০৩।
১। ২৭: ৩* যারা সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় আর তারাই আখেরাতে নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে।(১)
৬১, ঊনত্রিশ নম্বর সূরা আল-আনকাবূত একবার। আয়াত নং ৪৫।
১। ২৯:৪৫* আপনি(১) তেলাওয়াত করুন কিতাব থেকে যা আপনার প্রতি ওহী করা হয়(২) এবং সালাত কায়েম করুন।(৩) নিশ্চয় সালাত বিরত রাখে অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে।(৪) আর আল্লাহর স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ।(৫) তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন।
৬২-৬৩, ত্রিশ নম্বর সুরা রুমে দুই বার। আয়াত নং ১৬-১৮, ৩১।
১. ৩০:১৬* আর যারা কুফরী করেছে এবং আমাদের আয়াতসমূহ ও আখিরাতের সাক্ষাতের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে, পরিণামে তাদেরকেই আযাবের মাঝে উপস্থিত রাখা হবে।
১. ৩০.১৭* কাজেই(১) তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর যখন তোমরা সন্ধ্যা কর এবং যখন তোমরা ভোর কর,
১. ৩০.১৮* এবং বিকেলে, আর যখন তোমরা দুপুরে উপনীত হও। আর তাঁরই জন্য সমস্ত প্ৰশংসা আসমানে ও যমীনে।
২. ৩০: ৩১. তোমরা বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁরই অভিমুখী হয়ে থাক আর তাঁরই তাকওয়া অবলম্বন কর এবং সালাত কায়েম কর। আর অন্তর্ভুক্ত হয়ো না মুশরিকদের।
৬৪-৬৫, একত্রিশ নম্বর সুরা লুকমানে দুই বার। আয়াত নং ১-৫, ১৭ ।
১. ৩১.১* আলিফ-লাম-মীম; ২. এগুলো হিকমতপূর্ণ কিতাবের আয়াত, ৩. পথ-নির্দেশ ও দয়াস্বরূপ মুহসিনদের জন্য(১); ৪. যারা সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়, আর তারাই আখিরাতে নিশ্চিত বিশ্বাসী;
৫. তারাই তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াতের উপর আছে এবং তারাই সফলকাম।(১)
২. ৩১.১৭* হে আমার প্রিয় বৎস, সালাত কায়েম কর, সৎকাজের আদেশ দাও, অসৎকাজে নিষেধ কর এবং তোমার উপর যে বিপদ আসে তাতে ধৈর্য ধর। নিশ্চয় এগুলো অন্যতম দৃঢ় সংকল্পের কাজ’। আল-বায়ান
৬৬-৬৭, তেত্রিশ নম্বর সুরা আযহাবে দুইবার।
আয়াত নং ৩৩, ৫৬।
১. ৩৩.৩৩* আর তোমাদের ঘরে আল্লাহর যে, আয়াতসমূহ ও হিকমত পঠিত হয়- তা তোমরা স্মরণ রেখো। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবহিত।
২. ৩৩.৫৬* নিশ্চয় আল্লাহ (ঊর্ধ্ব জগতে ফেরেশতাদের মধ্যে) নবীর প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর জন্য দো‘আ করে*। হে মুমিনগণ, তোমরাও নবীর উপর দরূদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।
৬৮, চৌত্রিশ নম্বর সুরা সাবায় একবার। আয়াত নং ৪৬।
১,৩৪:৪৬* বল, ‘আমি তো তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু’জন অথবা এক একজন করে দাঁড়িয়ে যাও, অতঃপর চিন্তা করে দেখ, তোমাদের সাথীর মধ্যে কোন পাগলামী নেই। সে তো আসন্ন কঠোর আযাব সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী বৈ কিছু নয়।’ আল-বায়ান
৬৯-৭০, পঁয়ত্রিশ নম্বর সুরা ফাতিরে দুইবার আয়াত নং ১৮, ২৯।
১,৩৫:১৮* বলআর কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না এবং কোন ভারাক্রান্ত ব্যক্তি যদি তার বোঝা বহনের জন্য কাউকে ডাকে তবে তার বোঝার কোন অংশই বহন করা হবে না যদিও সে আত্মীয় হয়; তুমি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করবে যারা তাদের রবকে না দেখেও ভয় করে এবং সালাত কায়েম করে; আর যে ব্যক্তি পরিশুদ্ধি অর্জন করে সে নিজের জন্যই পরিশুদ্ধি অর্জন করে। আর আল্লাহর কাছেই প্রত্যাবর্তন। আল-বায়ান
১,৩৫:২৯* নিশ্চয় যারা আল্লাহর কিতাব অধ্যয়ন করে, সালাত কায়েম করে এবং আল্লাহ যে রিয্ক দিয়েছেন তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসার আশা করতে পারে যা কখনো ধ্বংস হবে না। আল-বায়ান
৭১, ঊনচল্লিশ নম্বর সুরা যুমারে একবার। আয়াত নং ০৯ ।
১, ৩৯: ০৯* যে ব্যক্তি রাতের প্রহরে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রব-এর রহমত প্রত্যাশা করে (সে কি তার সমান যে এরূপ করে না) বল, ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান?’ বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে। আল-বায়ান
৭২, বিয়াল্লিশ নম্বর সুরা আল শুরায় একবার। আয়াত নং ৩৮।
১, ৪২: ৩৮* আর যারা তাদের রবের আহবানে সাড়া দেয়, সালাত কায়েম করে, তাদের কার্যাবলী তাদের পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন করে এবং আমি তাদেরকে যে রিয্ক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। আল-বায়ান
৭৩, পঞ্চাশ নম্বর সুরা ক্বাফের একবার। আয়াত নং ৩৯-৪০।
১, ৫০: ৩৯* ‘৩৯. অতএব তারা যা বলে তাতে আপনি ধৈর্য ধারণ করুন এবং আপনার রবের সপ্ৰশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে(১),
২, ৫০: ৪০* আর তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন রাতের একাংশে এবং সালাতের পরেও।(১)
৭৪, বায়ান্ন নম্বর সুরা তুরে একবার। আয়াত নং ৪৮-৪৯।
১, ৫২:৪৮* আর আপনি ধৈর্যধারণ করুন। আপনার রাবের সিদ্ধান্তের উপর; নিশ্চয় আপনি আমাদের চক্ষুর সামনেই রয়েছেন(১) আপনি আপনার রবের সপ্ৰশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন যখন আপনি দণ্ডায়মান হন(২),
২, ৫২:৪৯* আর তাঁর পবিত্ৰতা ঘোষণা করুন রাতের বেলা(১) ও তারকার অস্ত গমনের পর।(২)
৭৫, তেপান্ন নম্বর সুরা নজমে একবার। আয়াত ৬২ নং আয়াতে।
১, ৫৩:৬২* অতএব আল্লাহকে সিজদা কর এবং ইবাদাত কর।(১) [সাজদাহ]
৭৬, আটান্ন নম্বর সুরা মুজাদালায় একবার। আয়াত নং ১৩।
১, ৫৮:১৩* তোমরা কি চুপি চুপি কথা বলার আগে সাদাকাহ প্রদানে ভয় পেয়ে গেলে? যখন তোমরা তা করতে পারলে না, আর আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন, তখন তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্ৰদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর। আর তোমরা যা আমল কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।
৭৭, সত্তর নম্বর সুরা মারেজ একবার । আয়াত নং ১৭-২৩।
১, ৭০:১৭* জাহান্নাম সে ব্যক্তিকে ডাকবে, যে সত্যের প্রতি পিঠ দেখিয়েছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।
২, ৭০:১৮* আর যে সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল অতঃপর সংরক্ষিত করে রেখেছিল।(১)
৩, ৭০:১৯* নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।(১)
৪, ৭০:২০* যখন বিপদ তাকে স্পর্শ করে সে হয় হা-হুতাশকারী।
৫, ৭০:২২* তবে সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া(১),
৬, ৭০:২৩* যারা তাদের সালাতে সর্বদা প্রতিষ্ঠিত(১),
৭৮, তিয়াত্তর নম্বর সুরা মোজাম্মেল একবার। আয়াত নং ২০।
১,৭৩:২০* নিশ্চয় আপনার রব জানেন যে, আপনি সালাতে দাঁড়ান কখনও রাতের প্ৰায় দুই-তৃতীয়াংশ, কখনও অর্ধাংশ এবং কখনও এক-তৃতীয়াংশ এবং দাঁড়ায় আপনার সঙ্গে যারা আছে তাদের একটি দলও। আর আল্লাহ্ই নির্ধারণ করেন দিন ও রাতের পরিমাণ।(১) তিনি জানেন যে, তোমরা এটা পুরোপুরি পালন করতে পারবে না।(২), তাই আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করলেন।(৩) কাজেই কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়, আল্লাহ জানেন যে, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে, আর কেউ কেউ আল্লাহ্র অনুগ্রহ সন্ধানে দেশ ভ্ৰমন করবে এবং কেউ কেউ আল্লাহর পথে লড়াইয়ে লিপ্ত হবে। কাজেই তোমরা কুরআন হতে যতটুকু সহজসাধ্য ততটুকু পড়। আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্ৰদান কর(৪) এবং আল্লাহকে দাও উত্তম ঋণ।(৫) তোমরা তোমাদের নিজেদের জন্য ভাল যা কিছু অগ্রিম পাঠাবে তোমরা তা পাবে আল্লাহর কাছে।(৬) তা উৎকৃষ্টতর এবং পুরস্কার হিসেবে মহত্তর। আর তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর আল্লাহর কাছে; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
৭৯, চুয়াত্তর নম্বর সুরা মোদাসসেরে একবার। আয়াত নং ৪২-৪৫।
১,৭৪:৪২* তোমাদেরকে কিসে ‘সাকার’-এ নিক্ষেপ করেছে?
২,৭৪:৪৩* তারা বলবে, আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না(১),
৩,৭৪:৪৪* আর আমরা অভাবগ্রস্থকে খাদ্য দান করতাম না(১),
৪,৭৪:৪৫* এবং আমরা অনর্থক আলাপকারীদের সাথে বেহুদা আলাপে মগ্ন থাকতাম।
৮০, আটাত্তর নম্বর সুরা আলায় একবার। আয়াত নং ১৪-১৫।
১,৭৮:১৪* অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে পরিশুদ্ধ হয়।(১)
১,৭৮:১৫* এবং তার রবের নাম স্মরণ করে ও সালাত কায়েম করে।(১)
৮১, ছিয়ানব্বই নম্বর সুরা আলাকে একবার। আয়াত নং ৯-১০।
১,৯৬:৯* আমাকে জানাও (এবং আশ্চর্য হও) তার সম্পর্কে, যে বাধা দেয়,
২,৯৬:১০* এক বান্দাকে(১)—যখন তিনি সালাত আদায় করেন।
৮২, আটান্নবই নম্বর সুরা বাইয়্যিনাহ একবার। আয়াত নং ০৫ ।
১. ৯৮:৫* আর তাদেরকে কেবল এ নির্দেশই প্রদান করা হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে তাঁরই জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করে এবং সালাত কায়েম করে ও যাকাত প্ৰদান করে। আর এটাই সঠিক দ্বীন।(১)
৮৩, একশত সাত নম্বর সুরা মাউনে একবার । আয়াত নং ৪-৬।
১, ১০৭:৪* কাজেই দুর্ভোগ সে সালাত আদায়কারীদের,
২,১০৭:৫* যারা তাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন,
৩, ১০৭:৬* যারা লোক দেখানোর জন্য তা করে(১),
Post a Comment