Top News

একজন ডিসি যখন সাধারণ নাগরিকের কাতারে দাঁড়ান “প্রশাসনের প্রকৃত শক্তি ক্ষমতা প্রদর্শনে নয়—সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়ে তার সমস্যাটা বুঝতে পারায়।”

 🟢 একজন ডিসি যখন সাধারণ নাগরিকের কাতারে দাঁড়ান

“প্রশাসনের প্রকৃত শক্তি ক্ষমতা প্রদর্শনে নয়—সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়ে তার সমস্যাটা বুঝতে পারায়।”




বোরকা পরে ছদ্মবেশে ভূমি অফিসে গেলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

ঘটনাটি শুধু একটি ব্যতিক্রমী পরিদর্শনের খবর নয়—এটি আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সাধারণ সেবাগ্রহীতার পরিচয়ে উত্তরখান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, ভূমিসেবা নেওয়ার প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখেন এবং সেবাগ্রহীতারা কোনো হয়রানি, ভোগান্তি, বিলম্ব বা অতিরিক্ত অর্থ দাবির মুখোমুখি হচ্ছেন কি না—তা জানার চেষ্টা করেন। �

BVNEWS24 || বিভিনিউজ২৪ +1

তিনি নিজেই বলেছেন—আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের সময় অনেক ক্ষেত্রে সেবার প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি জানা সম্ভব হয় না। তাই সাধারণ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা জানতে তিনি সাধারণ সেবাগ্রহীতার পরিচয়ে মাঠে গিয়েছিলেন। �

Jagonews24

প্রশ্ন হলো—এমন তদারকি কি শুধু একজন কর্মকর্তার উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

যদি দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রধানরা মাঝেমধ্যে পরিচয় ও প্রটোকলের বাইরে গিয়ে সাধারণ নাগরিকের জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজেদের দপ্তরের সেবা পরীক্ষা করেন—তাহলে প্রশাসন আরও জনবান্ধব হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কারণ—

🔹 অফিসের ফাইল অনেক কথা বলে,

🔹 কর্মকর্তার রিপোর্ট অনেক তথ্য দেয়,

🔹 কিন্তু সেবাগ্রহীতার বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে দেয় প্রকৃত চিত্র।

একজন সাধারণ মানুষ একটি সরকারি অফিসে গিয়ে কতবার ঘোরেন?

কতক্ষণ অপেক্ষা করেন?

কতজনের কাছে যেতে হয়?

কাগজপত্রের নামে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা আছে কি না?

কেউ তাকে দালালের কাছে যেতে উৎসাহিত করছে কি না?

সেবা পেতে অযাচিত অর্থের চাপ আছে কি না?

এসব প্রশ্নের উত্তর অফিসের চেয়ার থেকে সবসময় পাওয়া যায় না।

তাই প্রয়োজন—

“অফিস পরিদর্শন” নয়, “সেবা অভিজ্ঞতা পরিদর্শন”।

প্রশাসনের প্রত্যেক স্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা যদি নিয়মিতভাবে সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়ে নিজেদের দপ্তরের সেবা পরীক্ষা করেন, অভিযোগ শুনেন এবং অভিযোগের পরিণতি পর্যন্ত অনুসরণ করেন—তাহলে জবাবদিহিতা আরও কার্যকর হতে পারে।

তবে একটি বিষয়ও মনে রাখতে হবে—

একদিনের ছদ্মবেশী পরিদর্শন প্রশংসনীয় উদ্যোগ হতে পারে; কিন্তু প্রকৃত সাফল্য মাপতে হবে নিয়মিত সেবার মান, অভিযোগ নিষ্পত্তি, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে।

আমরা চাই—

প্রশাসন যেন শুধু ক্ষমতার প্রতীক না হয়ে

জনগণের আস্থার জায়গা হয়ে ওঠে।

চেয়ারে বসে জনগণকে দেখা নয়—

প্রয়োজনে জনগণের জায়গায় দাঁড়িয়ে জনগণকে বোঝা।

এমন উদ্যোগ যদি প্রশাসনের সর্বস্তরে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির অংশ হয়, তাহলে জনবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও হয়রানিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হবে।

✍️ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ

Human Welfare Officer, Sadar Thana, Tangail

National Human Rights Society Bangladesh

Health & Community Clinic Secretary, Central Executive Committee — BFUA

Proprietor, G-Pharma, Tangail

GiasBlogs101 — Healthcare • Business • Technology • Community Development

📱 যোগাযোগ/WhatsApp: 01837970042

📧 Email: momfoundation.hcbb@gmail.com

🌐 Blog: GiasBlogs101⁠�

🔖 Hashtags

#GiasBlogs101 #GiasThoughts #জনবান্ধবপ্রশাসন #জনসেবা #জবাবদিহিতা #প্রশাসন #ভূমিসেবা #ভূমিঅফিস #সুশাসন #নাগরিকঅধিকার #মানবাধিকার #দুর্নীতিমুক্তসমাজ #হয়রানিমুক্তসেবা #DhakaDC #FaridaKhanom #LandService #PublicService #Bangladesh

মূল বার্তা:

“প্রশাসনের প্রকৃত শক্তি ক্ষমতা প্রদর্শনে নয়—সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়ে তার সমস্যাটা বুঝতে পারায়।”

Post a Comment

Previous Post Next Post