Top News

কুরআনে সালাত: ৩৮টি সূরায় উল্লেখিত ৮৩টি সালাত-সম্পর্কিত আয়াত

তালিকাটি ৮৩টি সিরিয়াল ও ৩৮টি সূরা ধরে সাজাতে পারি। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে পরিষ্কার করা দরকার:

আপনার মূল তালিকায় কিছু জায়গায় “সালাত” শব্দটি সরাসরি নেই, বরং রুকু, সিজদাহ, দাঁড়ানো, আল্লাহর স্মরণ ইত্যাদি সালাত-সম্পর্কিত প্রসঙ্গ আছে। আবার কয়েকটি আয়াতের অনুবাদ/রেফারেন্সে সামান্য অসঙ্গতিও আছে। যেমন সূরা আল-আ‘রাফ ৭:২৯, ৭:২০৬-কে সরাসরি “সালাত” উল্লেখ হিসেবে গণনা করা ঠিক নয়। তাই নিচের ছকটিকে আমি “আপনার ৮৩-সিরিয়ালের সালাত-সম্পর্কিত আয়াতসমূহ” হিসেবে উপস্থাপন করছি—এটিকে কুরআনে “সালাত” শব্দের আক্ষরিক ৮৩ বার উপস্থিতি হিসেবে দাবি করা ঠিক হবে না। Quran.com-এর বাংলা আয়াত যাচাইয়ের উদাহরণেও ২:৪৩-এ সালাত, ৪:৪৩-এ সালাত, ১৭:৭৮-এ সালাতের উল্লেখ পাওয়া যায়। �

Quran.com +2

📖 কুরআনে সালাত: ৮৩টি নির্বাচিত আয়াত — ছক

সিরিয়াল -  সূরা - সূরা:আয়াত - বঙ্গানুবাদ / আয়াতের মর্ম

১। আল-বাকারাহ  ২:৩

যারা গায়েবের প্রতি ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে এবং তাদেরকে যে রিযিক দেওয়া হয়েছে তা থেকে ব্যয় করে।

২। আল-বাকারাহ ২:৪৩

তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং রুকূকারীদের সঙ্গে রুকূ কর। � Quran.com

৩। আল-বাকারাহ ২:৪৫

তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের জন্য কঠিন।

৪। আল-বাকারাহ ২:৮৩

তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবে না; পিতা-মাতা, আত্মীয়, ইয়াতিম ও অভাবগ্রস্তের প্রতি সদাচরণ করবে, মানুষের সঙ্গে উত্তম কথা বলবে, সালাত কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে।

৫। আল-বাকারাহ ২:১১০

তোমরা সালাত কায়েম কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজেদের জন্য যে কল্যাণ অগ্রে পাঠাবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে।

৬। আল-বাকারাহ ২:১২৫

ইবরাহীম ও ইসমাঈলকে বলা হয়েছিল, আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, ই‘তিকাফকারী এবং রুকূ ও সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখো; আর মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।

৭। আল-বাকারাহ ২:১৫৩

হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।

৮। আল-বাকারাহ ২:১৭৭

প্রকৃত সৎকর্ম হলো ঈমান, সম্পদ দান, সালাত কায়েম, যাকাত প্রদান, অঙ্গীকার পূরণ এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ করা।

৯। আল-বাকারাহ ২:২৩৮

তোমরা সালাতসমূহের হিফাজত কর, বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের; আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াও।

১০। আল-বাকারাহ ২:২৩৯

যদি তোমরা বিপদের আশঙ্কা কর, তবে পদচারী বা আরোহী অবস্থায় সালাত আদায় কর। নিরাপদ হলে আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তিনি তোমাদের শিক্ষা দিয়েছেন।

১১। আলে ইমরান ৩:৩৯

যাকারিয়্যা যখন ইবাদতকক্ষে সালাতে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ইয়াহইয়ার সুসংবাদ দিল।

১২। আলে ইমরান ৩:৪৩

হে মারইয়াম! তোমার রবের অনুগত হও, সিজদা কর এবং রুকূকারীদের সঙ্গে রুকূ কর। �Quran.com

১৩। আন-নিসা ৪:৪৩

হে মুমিনগণ! নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালাতের নিকটবর্তী হয়ো না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার। অপবিত্র অবস্থায় গোসল না করা পর্যন্তও নয়; পানি না পেলে তায়াম্মুম কর। � Quran.com

১৪। আন-নিসা ৪:৭৭

তোমাদের বলা হয়েছিল—হাত সংবরণ কর, সালাত কায়েম কর এবং যাকাত দাও।

১৫। আন-নিসা ৪:১০১

সফরে কাফিরদের পক্ষ থেকে বিপদের আশঙ্কা থাকলে সালাত সংক্ষিপ্ত করলে তোমাদের কোনো দোষ নেই।

১৬। আন-নিসা ৪:১০২

রাসূল যখন মুমিনদের সঙ্গে সালাত কায়েম করেন, তখন একদল তাঁর সঙ্গে দাঁড়াবে এবং সতর্ক থাকবে; অপর দল পরে সালাতে অংশ নেবে।

১৭। আন-নিসা ৪:১০৩

সালাত শেষ করার পর দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে; নিরাপদ হলে যথাযথভাবে সালাত কায়েম করবে। নিশ্চয় সালাত নির্ধারিত সময়ে মুমিনদের জন্য ফরজ।

১৮। আন-নিসা ৪:১৪২

মুনাফিকরা যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন অলসভাবে দাঁড়ায়; লোক দেখানোর জন্য এবং আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে।

১৯। আন-নিসা ৪:১৬২

যারা ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে—তাদের মহাপুরস্কার দেওয়া হবে।

২০। আল-মায়িদাহ ৫:৬

সালাতের জন্য দাঁড়ালে মুখ ও হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত কর, মাথা মাসেহ কর এবং পা টাখনু পর্যন্ত ধৌত কর। পানি না পেলে তায়াম্মুম কর।

২১। আল-মায়িদাহ ৫:১২

আল্লাহ বনী ইসরাঈলের অঙ্গীকার নিয়েছিলেন—তারা সালাত কায়েম করবে, যাকাত দেবে, রাসূলদের প্রতি ঈমান আনবে।

২২। আল-মায়িদাহ ৫:৫৫

তোমাদের অভিভাবক আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মুমিনগণ—যারা সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় ও বিনীত থাকে।

২৩। আল-মায়িদাহ ৫:৫৮

যখন তোমরা সালাতের জন্য আহ্বান কর, তারা সেটাকে হাসি-তামাশা ও খেলায় পরিণত করে।

২৪। আল-মায়িদাহ ৫:৯১

শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে বিরত রাখতে চায়।

২৫। আল-মায়িদাহ ৫:১০৬

ওসিয়তের সাক্ষীদের সালাতের পর অপেক্ষমাণ রেখে শপথ করানো হবে।

২৬। আল-আন‘আম ৬:৭২

সালাত কায়েম করতে ও তাকওয়া অবলম্বন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; তাঁর কাছেই সবাই সমবেত হবে।

২৭। আল-আন‘আম ৬:৯২

যারা আখিরাতে ঈমান রাখে তারা কিতাবের প্রতি ঈমান রাখে এবং নিজেদের সালাতের হিফাজত করে।

২৮। আল-আন‘আম ৬:১৬২

বলুন, নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সৃষ্টিজগতের রব আল্লাহর জন্য।

২৯। আল-আ‘রাফ ৭:২৯

আল্লাহ ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রত্যেক ইবাদতে একনিষ্ঠভাবে তাঁরই দিকে মুখ ফেরাতে বলেছেন। (এটি সরাসরি “সালাত” শব্দের আয়াত নয়।)

৩০। আল-আ‘রাফ ৭:৩১

প্রত্যেক ইবাদত/সালাতের সময় সুন্দর পোশাক গ্রহণ কর; খাও ও পান কর, কিন্তু অপচয় করো না।

৩১। আল-আ‘রাফ ৭:১৭০

যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং সালাত কায়েম করে—তাদের সৎকর্মের প্রতিদান নষ্ট করা হবে না।

৩২। আল-আ‘রাফ ৭:২০৬

যারা আল্লাহর নিকটবর্তী তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না; তাঁর তাসবিহ পাঠ করে এবং তাঁর জন্য সিজদা করে। (সরাসরি “সালাত” শব্দ নেই।)

৩৩। আল-আনফাল ৮:৩

যারা সালাত কায়েম করে এবং আল্লাহর দেওয়া রিযিক থেকে ব্যয় করে।

৩৪। আত-তাওবাহ ৯:৫

তারা তাওবা করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দিলে তাদের পথ ছেড়ে দাও।

৩৫। আত-তাওবাহ ৯:১১

তারা তাওবা করে, সালাত কায়েম ও যাকাত দিলে তারা দ্বীনের মধ্যে তোমাদের ভাই।

৩৬। আত-তাওবাহ ৯:১৮

আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে তারা, যারা ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না।

৩৭। আত-তাওবাহ ৯:৭১

মুমিন পুরুষ ও নারী পরস্পরের বন্ধু; তারা সৎকাজের নির্দেশ দেয়, অসৎকাজে নিষেধ করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়।

৩৮। হূদ ১১:১১৪

দিনের দুই প্রান্তে এবং রাতের প্রথমাংশে সালাত কায়েম কর। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎকাজকে মিটিয়ে দেয়।

৩৯। আল-হিজর ১৫:৯৮

আপনার রবের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হোন। (এখানে সরাসরি “সালাত” শব্দ নেই।)

৪০ আল-ইসরা ১৭:৭৮

সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত সালাত কায়েম কর এবং ফজরের কুরআন পাঠ কর; নিশ্চয় ফজরের কুরআন পাঠ প্রত্যক্ষ করা হয়। �Quran.com

৪১। আল-ইসরা ১৭:৭৯

রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় কর—এটি তোমার জন্য অতিরিক্ত ইবাদত।

৪২। আল-ইসরা ১৭:১১০

সালাতে কণ্ঠ খুব উচ্চ করো না এবং খুব ক্ষীণও করো না; বরং মধ্যপন্থা অবলম্বন কর।

৪৩। মারইয়াম ১৯:৩১

আল্লাহ ঈসা (আ.)-কে বরকতময় করেছেন এবং যতদিন জীবিত থাকবেন ততদিন সালাত ও যাকাতের নির্দেশ দিয়েছেন।

৪৪। মারইয়াম ১৯:৫৫

ইসমাঈল (আ.) তাঁর পরিবারকে সালাত ও যাকাতের নির্দেশ দিতেন এবং তিনি তাঁর রবের সন্তোষভাজন ছিলেন।

৪৫। ত্বা-হা ২০:১৪

নিশ্চয় আমিই আল্লাহ; আমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। অতএব আমার ইবাদত কর এবং আমার স্মরণের জন্য সালাত কায়েম কর।

৪৬। ত্বা-হা ২০:১৩০

সূর্যোদয়ের আগে, সূর্যাস্তের আগে এবং রাতের কিছু অংশে আপনার রবের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন।

৪৭। ত্বা-হা ২০:১৩২

আপনার পরিবারকে সালাতের আদেশ দিন এবং নিজেও তাতে অবিচল থাকুন।

৪৮। আল-আম্বিয়া ২১:৭৩

আল্লাহ নবীদের প্রতি সৎকাজ, সালাত কায়েম ও যাকাত প্রদানের নির্দেশ ওহি করেছিলেন।

৪৯। আল-হজ ২২:২৬

আল্লাহ ইবরাহীমের জন্য ঘরের স্থান নির্ধারণ করে বলেছিলেন—আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, সালাতে দাঁড়ানো, রুকূ ও সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখ।

৫০। আল-হজ ২২:৩৫

যাদের হৃদয় আল্লাহর নাম স্মরণে ভীত-কম্পিত হয়, বিপদে ধৈর্য ধারণ করে, সালাত কায়েম করে এবং রিযিক থেকে ব্যয় করে।

৫১। আল-হজ ২২:৪১

আল্লাহ যাদের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেন তারা সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয়, সৎকাজের নির্দেশ দেয় এবং অসৎকাজে নিষেধ করে।

৫২। আল-হজ ২২:৭৭

হে মুমিনগণ! তোমরা রুকূ কর, সিজদা কর, তোমাদের রবের ইবাদত কর এবং সৎকাজ কর—যাতে সফল হতে পার।

৫৩। আল-হজ ২২:৭৮

সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে অবলম্বন কর।

৫৪। আল-মুমিনূন ২৩:২

যারা নিজেদের সালাতে বিনয়-অবনত থাকে তারাই সফল মুমিন।

৫৫। আল-মুমিনূন ২৩:৯

যারা নিজেদের সালাতসমূহের হিফাজত করে।

৫৬। আন-নূর ২৪:৩৭

ব্যবসা-বাণিজ্য তাদের আল্লাহর স্মরণ, সালাত কায়েম ও যাকাত প্রদান থেকে বিরত রাখে না।

৫৭। আন-নূর ২৪:৫৬

সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং রাসূলের আনুগত্য কর—যাতে তোমাদের প্রতি রহমত করা হয়।

৫৮। আন-নূর ২৪:৫৮

ফজরের সালাতের আগে, দুপুরে বিশ্রামের সময় এবং ইশার সালাতের পর—এ তিন সময়ে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে।

৫৯। আশ-শু‘আরা ২৬:২১৭–২১৯

পরাক্রমশালী ও পরম দয়ালু আল্লাহর ওপর নির্ভর করুন; যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি দাঁড়ান এবং সিজদাকারীদের মধ্যে আপনার ওঠাবসা দেখেন। (এখানে সরাসরি “সালাত” শব্দ নেই।)

৬০। আন-নামল ২৭:৩

যারা সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আখিরাতের প্রতি নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে।

৬১। আল-আনকাবূত ২৯:৪৫

কিতাব থেকে যা ওহি করা হয়েছে তা তিলাওয়াত করুন এবং সালাত কায়েম করুন। নিশ্চয় সালাত অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।

৬২। আর-রূম ৩০:১৬–১৮

আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সকাল-সন্ধ্যায়, বিকেলে ও দুপুরে। (এ অংশে সরাসরি “সালাত” শব্দ নেই; সালাতের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যাখ্যা করা হয়।)

৬৩। আর-রূম ৩০:৩১

একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর, তাঁকে ভয় কর এবং সালাত কায়েম কর; মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

৬৪। লুকমান ৩১:৪

যারা সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আখিরাতের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখে—তারাই তাদের রবের হিদায়াতের ওপর আছে।

৬৫। লুকমান ৩১:১৭

হে আমার প্রিয় বৎস! সালাত কায়েম কর, সৎকাজের আদেশ দাও, অসৎকাজে নিষেধ কর এবং বিপদে ধৈর্য ধারণ কর।

৬৬। আল-আহযাব ৩৩:৩৩

তোমাদের ঘরে আল্লাহর আয়াত ও হিকমত যা পাঠ করা হয় তা স্মরণ রাখো। (সরাসরি সালাত শব্দ নেই।)

৬৭। আল-আহযাব ৩৩:৫৬

নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি রহমত/দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠাও। (এটি সালাতের সরাসরি আয়াত নয়; “সালাত” শব্দের অন্য অর্থে ব্যবহৃত।)

৬৮। সাবা ৩৪:৪৬

তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুজন বা এক একজন করে দাঁড়াও, তারপর চিন্তা কর। (সরাসরি সালাত শব্দ নেই।)

৬৯। ফাতির ৩৫:১৮

যারা না দেখেও তাদের রবকে ভয় করে এবং সালাত কায়েম করে—তারাই সতর্কযোগ্য।

৭০। ফাতির ৩৫:২৯

যারা আল্লাহর কিতাব অধ্যয়ন করে, সালাত কায়েম করে এবং আল্লাহর দেওয়া রিযিক গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে—তারা এমন ব্যবসার আশা করতে পারে যা কখনো ধ্বংস হবে না।

৭১। আয-যুমার ৩৯:৯

যে ব্যক্তি রাতের প্রহরে সিজদাবনত ও দাঁড়ানো অবস্থায় ইবাদত করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং রবের রহমত আশা করে—সে কি অন্যের সমান?

৭২। আশ-শূরা ৪২:৩৮

যারা তাদের রবের আহ্বানে সাড়া দেয়, সালাত কায়েম করে, নিজেদের কার্যাবলী পরামর্শের মাধ্যমে সম্পন্ন করে এবং আল্লাহর দেওয়া রিযিক থেকে ব্যয় করে।

৭৩। কাফ ৫০:৩৯–৪০

সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে এবং রাতের কিছু অংশে আপনার রবের পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং সালাতের পরেও তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

৭৪। আত-তূর ৫২:৪৮–৪৯

ধৈর্য ধারণ করুন এবং আপনার রবের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করুন; আপনি যখন দাঁড়ান তখন তাঁর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং রাতেও তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

৭৫। আন-নাজম ৫৩:৬২

অতএব আল্লাহকে সিজদা কর এবং ইবাদত কর। (সরাসরি সালাত শব্দ নেই।)

৭৬। আল-মুজাদালাহ ৫৮:১৩

তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর।

৭৭। আল-মা‘আরিজ ৭০:২২–২৩

তবে সালাত আদায়কারীরা ব্যতিক্রম—যারা নিজেদের সালাতে সর্বদা প্রতিষ্ঠিত।

৭৮। আল-মুযযাম্মিল ৭৩:২০

আল্লাহ জানেন তোমরা রাতের বিভিন্ন অংশে সালাতে দাঁড়াও। অতএব কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়, সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও।

৭৯। আল-মুদ্দাসসির ৭৪:৪২–৪৫

তাদের জিজ্ঞেস করা হবে—কী তোমাদের সাকার-এ নিক্ষেপ করেছে? তারা বলবে, আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না; অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দিতাম না এবং অনর্থক আলাপে লিপ্ত থাকতাম।

৮০। আল-আ‘লা ৮৭:১৪–১৫

অবশ্যই সফল হয়েছে যে পরিশুদ্ধ হয়েছে, তার রবের নাম স্মরণ করেছে এবং সালাত কায়েম করেছে।

৮১। আল-‘আলাক ৯৬:৯–১০

তুমি কি তাকে দেখেছ যে বাধা দেয় একজন বান্দাকে—যখন সে সালাত আদায় করে?

৮২। আল-বাইয়্যিনাহ ৯৮:৫

তাদের কেবল এই নির্দেশই দেওয়া হয়েছিল যে তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে, সালাত কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক দ্বীন।

৮৩। আল-মা‘ঊন ১০৭:৪–৬

অতএব দুর্ভোগ সেই সালাত আদায়কারীদের, যারা নিজেদের সালাত সম্পর্কে উদাসীন, যারা লোক দেখানোর জন্য তা করে। � Quran.com

⚠️ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন

পোস্টে “কুরআনে সালাত ৩৮টি সূরায় ৮৩ বার উল্লেখ”—এই বাক্যটি সরাসরি তথ্য হিসেবে না লেখাই নিরাপদ। কারণ  ৮৩টি সিরিয়ালের মধ্যে কয়েকটি আয়াতে “সালাত” শব্দটি নেই, যেমন ৭:২৯, ৭:২০৬, ১৫:৯৮, ২৬:২১৭–২১৯, ৩০:১৬–১৮, ৩৩:৩৩, ৩৩:৫৬, ৩৪:৪৬, ৩৯:৯, ৫২:৪৮–৪৯, ৫৩:৬২ ইত্যাদি। আবার ৩৩:৫৬-এ সালাত শব্দটি নবীর প্রতি আল্লাহ ও ফেরেশতাদের “সালাত” অর্থাৎ রহমত/দরুদের প্রসঙ্গে এসেছে—এটি মুমিনের নামাজ বোঝায় না।

তাই শিরোনামটি এভাবে দিলে তথ্যগতভাবে অনেক বেশি নিরাপদ ও নিরপেক্ষ হবে:

“কুরআনে সালাত ও সালাত-সম্পর্কিত ৮৩টি আয়াত: সূরা ও আয়াতভিত্তিক একটি পর্যালোচনা”

অথবা:

“কুরআনে সালাত: ৩৮টি সূরায় উল্লেখিত ৮৩টি সালাত-সম্পর্কিত আয়াত”

এতে পাঠককে “৮৩ বার সালাত শব্দ এসেছে”—এমন একটি ভুল ধারণা দেওয়া হবে না।

#Quran #QuranVerse #QuranReminder #QuranStudy #Islam #IslamicReminder #IslamicKnowledge #Salah #Salat #Prayer #Namaz #QuranAndSalah #SalahInQuran #কুরআন #কুরআনের_আয়াত #কুরআনে_সালাত #সালাত #নামাজ #ইসলাম #ইসলামিক_জ্ঞান 

#GiasBlog101 #GiasBlogs101 #GiasThoughts

উপরের তথ্যগুলি শেয়ার করে সবার জানার জন্য সহযোগিতা করতে পারেন।

আমার ক্ষুদ্র প্রয়াসে উপরের সংগ্রহীত আয়াতের কোন প্রকার ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সংশোধন করে কমেন্টস করার অনুরোধ রইলো।






















































































Post a Comment

Previous Post Next Post