তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও আমাদের সামনে রাখতে হবে—
শুধু শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করলেই কি স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি পাবে?
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, ৫০ শয্যার হাসপাতাল থাকাকালীনও অনেক রোগী ভর্তি হওয়ার জন্য বেড পাননি। করিডোরে চিকিৎসা, চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব, ওষুধের স্বল্পতা এবং জনবল সংকট—এসব বাস্তবতা এখনও অনেক হাসপাতালে বিদ্যমান।
তাই ১০১ শয্যায় উন্নীত করার এই সিদ্ধান্ত যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে। এর সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে—
✅ পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ
✅ আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা
✅ প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ
✅ পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব হাসপাতাল পরিবেশ
✅ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর জবাবদিহিতা
✅ সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা
বিশেষভাবে সাংবাদিক ভাই-বোনদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা শুধু উদ্বোধনের সংবাদ প্রকাশেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। নিয়মিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও মাঠপর্যায়ে নজরদারির মাধ্যমে দেখুন—এই উন্নয়নের সুফল সত্যিই সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন কি না।
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই উন্নয়নের প্রকৃত সাফল্য তখনই আসবে, যখন একজন সাধারণ রোগী হাসপাতালে এসে সম্মানজনক, সময়মতো ও মানসম্মত চিকিৎসা পাবেন।
আসুন, আমরা সবাই মিলে শুধু শয্যা নয়, স্বাস্থ্যসেবার প্রকৃত মান উন্নয়নের দাবিতে সচেতন হই।
#কালিহাতী_উপজেলা_স্বাস্থ্য_কমপ্লেক্স #স্বাস্থ্যসেবা #১০১শয্যা #জনস্বাস্থ্য #জবাবদিহিতা #সাংবাদিকতা #বাংলাদেশ #HealthCare #Tangail #PublicHealth #গিয়াস_থটস #giasthoughts #giasblog101


Post a Comment