Ar Tasfiyara Facebook পেজ: https://www.facebook.com/share/1AwSHdiYQZ/
ইসলাম কখনো যেনা, ব্যভিচার, ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন বা সমকামিতাকে সমর্থন করে না। এগুলো সবই ইসলামে কঠোরভাবে হারাম ও জঘন্য অপরাধ।
তাই কোনো ব্যক্তি, মাদ্রাসা, মসজিদ, পীর, আলেম বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে অপরাধ হলে সেটার বিচার অবশ্যই হতে হবে— এটাই ইসলামের শিক্ষা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
একটা হারাম কাজের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরেকটা ইসলামী আমলকে বিদ্রূপ করা কি ন্যায্য?
মাজার জিয়ারত মানে কবরপূজা নয়। ইসলামে কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্য হলো মৃত্যুর কথা স্মরণ করা, আখিরাতের কথা মনে করা এবং মৃতের জন্য দোয়া করা।
রাসূল ﷺ নিজেও কবর জিয়ারত করেছেন এবং সাহাবাদেরও অনুমতি দিয়েছেন।
আজ কিছু মানুষের অপরাধকে ঢাল বানিয়ে পুরো ধর্মীয় চর্চাকে আক্রমণ করা হচ্ছে।
ধর্ষক যদি মাদ্রাসায় থাকে, সে অপরাধী।
দুর্নীতিবাজ যদি টুপি পরে, সে অপরাধী।
কিন্তু তার অপরাধ দিয়ে ইসলামকে বিচার করা জ্ঞানহীনতা।
আইনগতভাবেও ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধী যে-ই হোক— তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।
কিন্তু সামাজিক বিভাজন তৈরি করে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা এক পক্ষকে উসকে দিয়ে সমাজে আরও বিদ্বেষ ছড়ানো কোনো সমাধান নয়।
অপরাধীর বিচার চাই,
কিন্তু ইসলামের আমল নিয়ে বিদ্রূপ নয়।
ধর্মের নামে অপরাধী যেমন ঘৃণিত,
তেমনি অপরাধের অজুহাতে ধর্মবিদ্বেষ ছড়ানোও নিন্দনীয়।

Post a Comment